কেনেডি স্পেস সেন্টারে পৌঁছাল নাসার ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ

মহাকাশ বিজ্ঞান
জ্যোতির্বিজ্ঞান
উৎক্ষেপণের আগের চূড়ান্ত প্রস্তুতির জন্য নাসার ৪.৩ বিলিয়ন ডলারের ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপটি ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারে এসে পৌঁছেছে।

নাসার ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপটি ফ্লোরিডায় অবস্থিত সংস্থার কেনেডি স্পেস সেন্টারের ‘পে-লোড হ্যাজার্ডাস সার্ভিসিং ফ্যাসিলিটি’-তে এসে পৌঁছেছে। ২০১৬ সালের ২১ জুন তারিখে এটি সেখানে পৌঁছায়। এর মাধ্যমে টেলিস্কোপটির উৎক্ষেপণ-পূর্ববর্তী প্রক্রিয়াকরণ শুরু হলো।

নাসার ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ

এই পে-লোডটি বহু বছর ধরে প্রস্তুত করা হয়েছে। এখন টেলিস্কোপটির নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ শেষ হয়েছে। অত্যন্ত কঠোর পরিবেশগত পরীক্ষা সফলভাবে পার করার পর ৪৩০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের টেলিস্কোপটিকে ফ্লোরিডায় আনা হলো। নির্ধারিত সময়ে স্পেসএক্স (SpaceX)-এর ফ্যালকন হেভি রকেটের সাহায্যে এটি মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হবে।

ডার্ক এনার্জি এবং ডার্ক ম্যাটার নিয়ে গবেষণা করা-ই এ অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো। এর পাশাপাশি এটি বহির্গ্রহ সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহ করবে।

ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপের পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা অনেক বেশি। এর দেখার ক্ষেত্র বা ‘ফিল্ড অফ ভিউ’ হাবল স্পেস টেলিস্কোপের ইনফ্রারেড যন্ত্রপাতির চেয়ে প্রায় ১০০ গুণ বড়। এর আরও বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। এই টেলিস্কোপটিতে করোনোগ্রাফ (Coronagraph) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়াও নক্ষত্রের তীব্র আলো দূর করে চারপাশের জিনিস স্পষ্ট দেখার জন্য বানানো প্রথম স্পেস টেলিস্কোপ এটিই। এতে ব্যবহৃত দর্পণকে সক্রিয়ভাবে বিকৃত করা যায়। পাশাপাশি এতে ওয়েভফ্রন্ট কন্ট্রোল প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।

ছবির কৃতিত্ব (Image Credit): NASA/JPL-Caltech